কোন শব্দের নারীবাচক শব্দ হয় না?
-
ক
শিক্ষক
-
খ
গুরু
-
গ
বাঘ
-
ঘ
সভাপতি
যে শব্দের কোনো স্বতন্ত্র নারীবাচক রূপ নেই, সেটি হলো সভাপতি। বাংলা ব্যাকরণে কিছু পদবাচক শব্দ (যেমন: সভাপতি, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার) পুরুষ ও নারী উভয় লিঙ্গের ক্ষেত্রেই একই রূপে ব্যবহৃত হয়। এদের রূপ লিঙ্গভেদে পরিবর্তিত হয় না। ‘সভাপতি’ শব্দটি এমন একটি উদাহরণ যেখানে একজন পুরুষ যেমন সভাপতি হতে পারেন, তেমনি একজন নারীও সভাপতিই হন; শব্দটির কোনো পৃথক নারীবাচক রূপ প্রচলিত বা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলির নারীবাচক রূপ রয়েছে:
- শিক্ষক (পুরুষবাচক) এর নারীবাচক শব্দ হলো শিক্ষিকা।
- গুরু (পুরুষবাচক) এর স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ সরাসরি নেই, তবে গুরুর স্ত্রীকে বোঝাতে গুরুপত্নী শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এটি গুরুর সরাসরি নারীবাচক প্রতিশব্দ নয়, বরং সম্পর্কবাচক শব্দ। তবে ‘সভাপতি’ পদনামটি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অপরিবর্তিত থাকে, যা এই প্রশ্নের সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
- বাঘ (পুরুষবাচক) এর নারীবাচক শব্দ হলো বাঘিনী।
সুতরাং, 'সভাপতি' শব্দটিরই কোনো স্বতন্ত্র নারীবাচক শব্দ হয় না যা দ্বারা লিঙ্গভেদে শব্দটির রূপ পরিবর্তিত হয়।
Related Question
View All-
ক
স্ত্রী
-
খ
সন্তান
-
গ
দেবর
-
ঘ
পুত্র
-
ক
কলম
-
খ
সন্তান
-
গ
বিদুষী
-
ঘ
কনে
-
ক
শাহজাদা
-
খ
বর
-
গ
শিশু
-
ঘ
বিদ্বান
-
ক
পুংলিঙ্গ
-
খ
স্ত্রীলিঙ্গ
-
গ
উভয় লিঙ্গ
-
ঘ
ক্লিব লিঙ্গ
-
ক
শিশু
-
খ
পুত্র
-
গ
স্ত্রী
-
ঘ
দেবর
-
ক
পাঠক
-
খ
রাষ্ট্রপতি
-
গ
গুণবতী
-
ঘ
ভাগ্যবান
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন